কুরআন পাক হচ্ছে মানব জাতির জন্য জীবন বিধান

কুরআন জীবন সমস্যার সমাধান দেয়। আমি এমন কিছু কথা বার্তা বলা শুরু করেছি যে বাক্যগুলো ব্যতিক্রমী, বেমানান ও হতে পারে আপনাদের অনেকের কাছে। তবে আমি দাবী করছি এ কথাগুলোর বাস্তবতা রয়েছে, কুরআন-সুন্নাহতে সূত্র ও রয়েছে । যেমনঃ- নামায-রোযা পালন করা দরকার, হিংসা-বিদ্বেষ বর্জন করা জরুরী। নামায-রোযা পালন করে হিংসা করা আর উত্তম খাবার খেয়ে বমি করা এক কথা। হিংসা-বিদ্বেষ মানুষের বিবেকবোধকে বিলুপ্ত করে দেয়।

নামায পড়া হচ্ছে ঔষধ, হিংসা করা হচেছ ব্যাধি। ঔষধ সেবনে রোগ কমতে ও পারে, বাড়তে ও পারে। কিন্তু নামায- রোযা যারা পালন করবে তারা নিশ্চয়ই অন্যায় অপকর্ম থেকে হেফাজত থাকতে সম্ভব হবে বলে মহান আল্লাহপাক ঘোষণা করেছেন। নামায পড়া হচেছ কলসীতে পানি ভরা আর হিংসা-বিদ্বেষ হচেছ কলসীর তলার ছিদ্র। কলসীতে পানি ভরা জরুরী? না ছিদ্র মেরামত করা জরুরী ? তদ্রুপ নামায-রোযা পালন করা জরুরী ? না হিংসা বর্জন করা জরুরী ?

যারা নামায জামায়াতে পড়ার জন্য পেরেশাণ অথচ হিংসা-বিদ্বেষ বর্জনের জন্য ২৪ ঘন্টায় ৪ মিনিট সময় ধরে আলোচনা ও করেন না তারা আল্লাহর সহযোগী নয় তারা হচেছ ইবলিশের সহযোগী। ঔষধ সেবনের উদ্দেশ্য যেমন রোগীর রোগ নিরাময় করা তেমনি নামায রোযা পালনের উদ্দেশ্য হচেছ হিংসা-বিদ্বেষ বর্জন, গর্ব-অহংকার পরিত্যাগ করা, লোভ-লালসা বর্জন করা ইত্যাদি।

মসজিদের ইমাম সাহেব নামাযের জন্য যতটা তাগিদ দেন, তার অর্ধেক সময় ধরে কি তাগিদ দেন হিংসা-বিদ্বেষ বর্জনের জন্য ?
কোরআন জীবন সমস্যার সমাধান দেয়। জীবন জিন্দেগীর ৮০% সমাধান রয়েছে মনের স্যানিটেশন অর্জনের মধ্যে তথা সমঝোতা - সহনশীলতার মধ্যে। কোন পীর সাহেবের মুখে দিনে দু’ মিনিট ধরে সমঝোতা অর্জনের গুরুত্বের বিষয় আলোচনা শুনতে পান ?

প্রকৃত নামাযী ব্যক্তির স্বভাবে থাকবে সমঝোতাবোধ, প্রকৃত নামাযী ব্যক্তির স্বভাবে থাকবে স্বার্থত্যাগ, প্রকৃত নামাযী ব্যক্তির স্বভাবে থাকবে বিনয়-নম্রতা। অথচ লক্ষ নিয়মিত নামাযীর মধ্যে একজন খুজে পাওয়া কঠিন যিনি নামায-রোযা পালনের ন্যায় প্রাধান্য দিয়ে থাকেন হিংসা-বিদ্বেষ বর্জনের বিষয়ে।

যে সকল এম,এ,পাস ব্যক্তিগণের স্বভাবে হিংসা-বিদ্বেষ প্রবল এবং তারা দলাদলিতে লিপ্ত - একদল অন্য দলকে সহযোগী না ভেবে - ভেবে থাকে শত্রু , তারা কখন ও সুশিক্ষিত নন তারা হচ্ছেন শিক্ষিত শয়তান। তারা কখন ও আল্লাহর সহযোগী নন, তারা হচেছ শয়তানের সহযোগী।

যে সকল কামিল পাস ব্যক্তিগণের স্বভাবে হিংসা-বিদ্বেষ প্রবল এবং তারা দলাদলিতে লিপ্ত, একদল অন্য দলকে সহযোগী না ভেবে - ভেবে থাকে শত্রু , তারা কখন ও আলিম নন তারা হচেছ জালিম। ঐ সকল কামিল পাস ব্যক্তি মসজিদে ইমামতি করলে ও তারা কখন ও আল্লাহর সহযোগী নন তারা হচ্ছে ইবলিশের সহযোগী ।

যে সকল এম,এ,পাস ব্যক্তিগণের স্বভাবে হিংসা-বিদ্বেষ প্রবলএবং তারা দলাদলিতে লিপ্ত,একদল অন্য দলকে সহযোগী না ভেবে, ভেবে থাকে শত্রূ তারা কখন ওসুশিতি নন তারা হচেছন অপশিতি। তারা আল্লাহর সহযোগী নন তারা হচেছ শয়তানের সহযোগী।

যেসকল এম,এ,পাস ব্যক্তিগণের স্বভাবে হিংসা-বিদ্বেষ প্রবল এবং তারা দলাদলিতে লিপ্ত, একদল অন্য দলকে সহযোগী না ভেবে, ভেবে থাকে শত্রু তারা কখন ওসুশিক্ষিত নন তারা হচ্ছে অপশিক্ষিত। তারা আল্লাহর সহযোগী নন তারা হচ্ছে শয়তানের সহযোগী।

আমার লেখনীর উদ্দেশ্য হচেছ কি করে মানুষের মধ্যেকার হিংসা-বিদ্বেষ দূর করার জন্য মানুষ তাবলীগ করেন, জিহাদ করেন, আত্মশুদ্ধি অর্জনে সচেষ্ট হন।কাজেই আমাকে ভুল বুঝবেন না। আমি কারও গুনগান করছি না গীবতও করছি না, তথা সমালোচনাও করছি না। আমি আত্মসমালোচনা করছি মাত্র।আলোচনা,সমালোচনা ও আত্মসমালোচনা এক নয়।

প্রনয়ণে প্রকৌশলী মোঃ আজিজুর রহমান
পাটকেলঘাটা,তালা, সাতক্ষীরা

0 comments: